-জোহান জোবায়ের
সাল ২১২১-
দুনিয়া এখন মুঠোফোনে বন্দি। মানুষ এখন Smartphone থেকে চোখ সরাতে পারেনা বা চোখ সরাতে চায়না বা স্মার্টফোনের বাহিরে অন্য কিছু দেখার প্রয়োজন মনে করেনা। Smartphone পূরণ করছে সব মানুষের সবরকম চাহিদা। যার মধ্যে গেমিং এর জনপ্রিয়তা সবসময়ের মতোই সবার উপরে।
“Glass Of Glans” গেমস এ সাকিব এর পরিচয় হয় তুহিন ও আরাফাতের সাথে। খেলতে খেলতেই তাদের ভালো বন্ধুত্ব। একদিন খেলার মাঝে তুহিন বললো
- আমাদের একটা ট্যুর দেয়া দরকার।
সাকিব বললো – চল তাহলে এখনি ভারচুয়্যল ট্যুর দেয়া যাক।
তুহিন সচেতন ছেলে, একটু রেগেই বললো “না” আর ঘরে নয়, এবার বের হয়ে সশরীরে ট্যুর দিয়ে আসবো, দেখে আসবো পৃথিবী।
সাকিব আর আরাফাত যতটা অবাক হলো ঠিক ততটা ভয়ও পেলো। কারণ তারা এর আগে কখনো ঘর থেকে বের হয়নি। মুঠোফোনের বাহিরে তারা অন্য কিছু দেখেনি। এমনকি আরাফাত তো দুদিন আগেই জানতে পারলো “কাজের ছেলে ভেবে আসা ছেলেটা আসলে তার ভাই, আপন ভাই”।
তাও তুহিনের অনুপ্রেরণায় সবাই যেতে রাজি হলো। ঠিক হলো সবাই Mini London মানে সিলেট ঘুরতে যাবে।
জানুয়ারির ৬ তারিখ সকালে তিনবন্ধু বের হলো সিলেটের উদ্দেশ্যে। এনিওয়্যার উইন্ডো থাকার কারণে ৫ সেকেন্ডেই সবাই পৌঁছে গেলো সিলেট।
৩ দিনে প্রায় সিলেটের অধিকাংশ জায়গাই ঘোরা হলো তিন বন্ধুর। তৃতীয়দিন হোটেলে ফেরার পথে কিছু ছিনতাইকারী টার্গেট করে তাদের তিনজনেরই ফোন ছিনতাই করে নিলো। আর তিনজনই ছিনতাইকারীর পিছে ছুটতে গিয়ে কিছুটা আলাদা হয়ে গেলো।
মজার ব্যাপার হলো ট্যুরে এসেও তিনজনই মুঠোফোনে তাকিয়ে থাকার কারণে কেউ কারো চেহারা দেখেনি।
তাদের আশেপাশে খুব বেশি মানুষ না থাকলেও চেহারা না চেনার কারণে তারা কেউ কাওকে চিনতে পারছিলোনা। শেষমেশ কাছাকাছি থাকার পরেও বন্ধুদের না চিনতে পেরে এনিওয়্যার উইন্ডো কাউন্টারে গিয়ে সাকিব, তুহিন এবং আরাফাত বাসায় ফিরে এলো।
[বিদ্রঃ মুঠোফোনে চোখ একটু কম রেখে বন্ধু এবং পরিবারের দিকেও একটু তাকান। অন্তত তাদের চেহারাটা চিনে রাখুন। নাহয় এই রম্য গল্প অচিরেই সত্যে প্রমানিত হবে।]😄
I wish I could get my translator to work 🤔
LikeLiked by 1 person
I am greatfull. Thank you❣️
Next time i will try to Write on English.
LikeLiked by 1 person
Awe, thank you…
Sometimes I can open sites in google and use their translator but it wasn’t available for yours
LikeLike